আজ সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবস শুরু করছেন তারেক রহমান। দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটি তাঁর প্রথম দাপ্তরিক দিন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। প্রচলিত রেওয়াজ ভেঙে ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শপথের পরদিনই আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস শুরু করছেন তিনি।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যালয় প্রস্তুত করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দ্বিতীয় তলায় ২০১ নম্বর কক্ষ প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশের ২০০ নম্বর কক্ষটি সভাকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক ব্যবহারের বিভিন্ন সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।
প্রথম কর্মদিবসের সূচি বেশ ব্যস্ত। সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করবেন। সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন তিনি।
দুপুরে সচিবালয়েই মধ্যাহ্নভোজ সেরে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক। এরপর বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সচিবালয়ে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এদিকে নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। নতুন ভবনের ছয়টি লিফটই ছিল ব্যস্ত; কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক তলা থেকে আরেক তলায় ফাইল হাতে ছুটে বেড়িয়েছেন। দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানও করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা।
নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসকে ঘিরে সচিবালয়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর ও কর্মব্যস্ত পরিবেশ।
