জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে দেশের নারীরা: রুহুল কবির রিজভী
জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে দেশের নারীরা: রুহুল কবির রিজভী
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশের নারীরাইজামায়াত ক্ষমতায় এলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে দেশের নারীরা: রুহুল কবির রিজভী
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন জামায়াত কখনোই আন্তরিকভাবে চায়নি।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া একাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে দেশের নারীরা: রুহুল কবির রিজভী…..https://newshutbd.com/wp-admin/post.php?post=1022&action=edit
জামায়াতকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, “আপনারা চান না নারীরা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিক, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিক। অথচ ভোটের সময় নারীদের দিয়েই ভোট চাইছেন, তাদের কাছ থেকেই সমর্থন আদায় করছেন। এখানেই আপনাদের দ্বিচারিতা। আপনারা ক্ষমতায় এলে এ দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।
তিনি অভিযোগ করেন, সারা দেশে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং চালানো হচ্ছে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে নারীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সমাজকে ভয়াবহ অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বাসায় হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিঠির ভাষা ও ধরন দেখে মনে হয়েছে, এটি কোনো সভ্য রাজনৈতিক আচরণ নয়। পাহাড়ের গুহা থেকে দস্যু বা জঙ্গিরা সাধারণত এমন চিঠি পাঠায়।”
অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাসার দারোয়ানের হাতে ওই চিঠি দিয়ে গেছে। বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তবে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি দিয়ে আমাদের মতো নারীদের থামিয়ে রাখা যাবে না—হোক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা গার্মেন্টসে কর্মরত একজন নারী।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আসলে নারীর বিরোধী নয়, তারা বিরোধী সেই নারীদের—যারা সমাজে মতাদর্শিক ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে। নারীদের ব্যবহার করা হয় শুধু ভোটের জন্য, জান্নাতের টিকিট বিক্রির হাতিয়ার হিসেবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি অন্য একটি দলের শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের কাছে কেবল তাদের দলের নারীরাই যোগ্য, চরিত্রবান ও পর্দানশীল। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নারীরা তাদের চোখে চরিত্রহীন, অযোগ্য এবং ইসলামবিদ্বেষী।”
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের একটি সংগঠিত ‘বট বাহিনী’ রয়েছে, যারা অনলাইনে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে কাজ করে। “ওপেন প্ল্যাটফর্মে হুমকি দেয়, ইনবক্সে ভয় দেখায়, চরিত্রহননের চেষ্টা করে—যাতে নারীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হয়,” বলেন তিনি।
খাদিজাতুল কুবরা আরও বলেন, “তাদের কাছে শুধু জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার নারীরাই ‘নিরাপদ’। অন্য দলের নারীরা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের সময় তিনি ১৫ মাস কারাবন্দি ছিলেন। “বাক্স্বাধীনতার জন্য জেল খেটেছি। শেষ পর্যন্ত সেই আইন বাতিল হয়েছে। কিন্তু আজ তার ফল হিসেবে পাচ্ছি লাগামহীন সাইবার বুলিং,” বলেন তিনি। বেশি বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন জামায়াত কখনোই আন্তরিকভাবে চায়নি।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া একাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, “আপনারা চান না নারীরা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিক, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিক। অথচ ভোটের সময় নারীদের দিয়েই ভোট চাইছেন, তাদের কাছ থেকেই সমর্থন আদায় করছেন। এখানেই আপনাদের দ্বিচারিতা। আপনারা ক্ষমতায় এলে এ দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।”
তিনি অভিযোগ করেন, সারা দেশে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং চালানো হচ্ছে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে নারীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সমাজকে ভয়াবহ অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন জামায়াত কখনোই আন্তরিকভাবে চায়নি।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া একাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, “আপনারা চান না নারীরা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিক, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিক। অথচ ভোটের সময় নারীদের দিয়েই ভোট চাইছেন, তাদের কাছ থেকেই সমর্থন আদায় করছেন। এখানেই আপনাদের দ্বিচারিতা। আপনারা ক্ষমতায় এলে এ দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।”
তিনি অভিযোগ করেন, সারা দেশে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং চালানো হচ্ছে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে নারীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সমাজকে ভয়াবহ অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বাসায় হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিঠির ভাষা ও ধরন দেখে মনে হয়েছে, এটি কোনো সভ্য রাজনৈতিক আচরণ নয়। পাহাড়ের গুহা থেকে দস্যু বা জঙ্গিরা সাধারণত এমন চিঠি পাঠায়।”
অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাসার দারোয়ানের হাতে ওই চিঠি দিয়ে গেছে। বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তবে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি দিয়ে আমাদের মতো নারীদের থামিয়ে রাখা যাবে না—হোক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা গার্মেন্টসে কর্মরত একজন নারী।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আসলে নারীর বিরোধী নয়, তারা বিরোধী সেই নারীদের—যারা সমাজে মতাদর্শিক ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে। নারীদের ব্যবহার করা হয় শুধু ভোটের জন্য, জান্নাতের টিকিট বিক্রির হাতিয়ার হিসেবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি অন্য একটি দলের শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের কাছে কেবল তাদের দলের নারীরাই যোগ্য, চরিত্রবান ও পর্দানশীল। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নারীরা তাদের চোখে চরিত্রহীন, অযোগ্য এবং ইসলামবিদ্বেষী।”
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের একটি সংগঠিত ‘বট বাহিনী’ রয়েছে, যারা অনলাইনে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে কাজ করে। “ওপেন প্ল্যাটফর্মে হুমকি দেয়, ইনবক্সে ভয় দেখায়, চরিত্রহননের চেষ্টা করে—যাতে নারীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হয়,” বলেন তিনি।
খাদিজাতুল কুবরা আরও বলেন, “তাদের কাছে শুধু জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার নারীরাই ‘নিরাপদ’। অন্য দলের নারীরা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের সময় তিনি ১৫ মাস কারাবন্দি ছিলেন। “বাক্স্বাধীনতার জন্য জেল খেটেছি। শেষ পর্যন্ত সেই আইন বাতিল হয়েছে। কিন্তু আজ তার ফল হিসেবে পাচ্ছি লাগামহীন সাইবার বুলিং,” বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বাসায় হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিঠির ভাষা ও ধরন দেখে মনে হয়েছে, এটি কোনো সভ্য রাজনৈতিক আচরণ নয়। পাহাড়ের গুহা থেকে দস্যু বা জঙ্গিরা সাধারণত এমন চিঠি পাঠায়।”
অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাসার দারোয়ানের হাতে ওই চিঠি দিয়ে গেছে। বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তবে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি দিয়ে আমাদের মতো নারীদের থামিয়ে রাখা যাবে না—হোক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা গার্মেন্টসে কর্মরত একজন নারী।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আসলে নারীর বিরোধী নয়, তারা বিরোধী সেই নারীদের—যারা সমাজে মতাদর্শিক ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে। নারীদের ব্যবহার করা হয় শুধু ভোটের জন্য, জান্নাতের টিকিট বিক্রির হাতিয়ার হিসেবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি অন্য একটি দলের শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের কাছে কেবল তাদের দলের নারীরাই যোগ্য, চরিত্রবান ও পর্দানশীল। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নারীরা তাদের চোখে চরিত্রহীন, অযোগ্য এবং ইসলামবিদ্বেষী।”
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের একটি সংগঠিত ‘বট বাহিনী’ রয়েছে, যারা অনলাইনে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে কাজ করে। “ওপেন প্ল্যাটফর্মে হুমকি দেয়, ইনবক্সে ভয় দেখায়, চরিত্রহননের চেষ্টা করে—যাতে নারীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হয়,” বলেন তিনি।
খাদিজাতুল কুবরা আরও বলেন, “তাদের কাছে শুধু জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার নারীরাই ‘নিরাপদ’। অন্য দলের নারীরা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের সময় তিনি ১৫ মাস কারাবন্দি ছিলেন। “বাক্স্বাধীনতার জন্য জেল খেটেছি। শেষ পর্যন্ত সেই আইন বাতিল হয়েছে। কিন্তু আজ তার ফল হিসেবে পাচ্ছি লাগামহীন সাইবার বুলিং,” বলেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন জামায়াত কখনোই আন্তরিকভাবে চায়নি।
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া একাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, “আপনারা চান না নারীরা রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিক, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিক। অথচ ভোটের সময় নারীদের দিয়েই ভোট চাইছেন, তাদের কাছ থেকেই সমর্থন আদায় করছেন। এখানেই আপনাদের দ্বিচারিতা। আপনারা ক্ষমতায় এলে এ দেশের নারীরাই সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।”
তিনি অভিযোগ করেন, সারা দেশে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং চালানো হচ্ছে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে নারীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সমাজকে ভয়াবহ অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বাসায় হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিঠির ভাষা ও ধরন দেখে মনে হয়েছে, এটি কোনো সভ্য রাজনৈতিক আচরণ নয়। পাহাড়ের গুহা থেকে দস্যু বা জঙ্গিরা সাধারণত এমন চিঠি পাঠায়।”
অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাসার দারোয়ানের হাতে ওই চিঠি দিয়ে গেছে। বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তবে চিঠি পাঠিয়ে হুমকি দিয়ে আমাদের মতো নারীদের থামিয়ে রাখা যাবে না—হোক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা গার্মেন্টসে কর্মরত একজন নারী।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আসলে নারীর বিরোধী নয়, তারা বিরোধী সেই নারীদের—যারা সমাজে মতাদর্শিক ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে। নারীদের ব্যবহার করা হয় শুধু ভোটের জন্য, জান্নাতের টিকিট বিক্রির হাতিয়ার হিসেবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি অন্য একটি দলের শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের কাছে কেবল তাদের দলের নারীরাই যোগ্য, চরিত্রবান ও পর্দানশীল। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নারীরা তাদের চোখে চরিত্রহীন, অযোগ্য এবং ইসলামবিদ্বেষী।”
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের একটি সংগঠিত ‘বট বাহিনী’ রয়েছে, যারা অনলাইনে বিরোধী মতের নারীদের লক্ষ্য করে কাজ করে। “ওপেন প্ল্যাটফর্মে হুমকি দেয়, ইনবক্সে ভয় দেখায়, চরিত্রহননের চেষ্টা করে—যাতে নারীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হয়,” বলেন তিনি।
খাদিজাতুল কুবরা আরও বলেন, “তাদের কাছে শুধু জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার নারীরাই ‘নিরাপদ’। অন্য দলের নারীরা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের সময় তিনি ১৫ মাস কারাবন্দি ছিলেন। “বাক্স্বাধীনতার জন্য জেল খেটেছি। শেষ পর্যন্ত সেই আইন বাতিল হয়েছে। কিন্তু আজ তার ফল হিসেবে পাচ্ছি লাগামহীন সাইবার বুলিং,” বলেন তিনি।
