ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতিতে নতুন মাত্রা: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন পর্যালোচনায় দিল্লি
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-কে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে করা আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বর্তমানে পর্যালোচনা করছে ভারত সরকার। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণ আবেদনটি ভারতের প্রচলিত আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। “এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে,”—বলেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো এ ধরনের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ গ্রহণ করা হয়েছে। এরপর থেকে ধাপে ধাপে দেশের আইনগত কাঠামোর মধ্যেই বিষয়টি পর্যালোচনার প্রক্রিয়া চলছে।
ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতিতে নতুন মাত্রা: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন পর্যালোচনায় দিল্লি……...
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। এই পরিস্থিতি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সংবেদনশীল হলেও, নয়াদিল্লি কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেই এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
মুখপাত্র আরও জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে উভয় দেশই আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মে কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন থাকলেও এটি যে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।
