Wednesday, May 13, 2026
Latest:
Uncategorized

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাহিদ রানার আগুনঝরা বোলিংয়ে ১০৪ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় টাইগাররা। ২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬৩ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করে নায়ক বনে যান তরুণ পেসার নাহিদ রানা। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট অর্জন।

এর আগে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়েকে হারালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে কখনো টেস্ট জয় পায়নি বাংলাদেশ। যদিও ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা, এবার প্রথমবার ঘরের মাঠেও পাকিস্তানকে হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখলো বাংলাদেশ দল।

২৬৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর আজান আওয়াইস ১৫ ও অধিনায়ক শান মাসুদ মাত্র ২ রান করে আউট হলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাহিদ রানার আগুনঝরা বোলিংয়ে ১০৪ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় টাইগাররা। ২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬৩ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করে নায়ক বনে যান তরুণ পেসার নাহিদ রানা। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট অর্জন।…………

দলের বিপর্যয়ের মধ্যে প্রতিরোধ গড়েন আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৫১ রানের জুটি কিছুটা আশা জাগালেও সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ১১টি চারে ৬৬ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন ফজল। এরপর সালমান আগাকেও ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ।

শেষ দিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি কেউই। টানা দুই ওভারে এই দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তিনি। রিজওয়ান ও শাকিল দুজনেই করেন ১৫ রান। পরে হাসান আলিকেও এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল। শেষ জুটিতে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাস কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটিও ভেঙে দেন নাহিদ রানা।

বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা নেন ৫ উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।

এর আগে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪ ও মুশফিকুর রহিম ২২ রান যোগ করে দলের লিড বড় করতে সহায়তা করেন। সব মিলিয়ে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে বাংলাদেশ।

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিং আর দলীয় দারুণ পারফরম্যান্সে মিরপুরে স্মরণীয় এক জয় উদযাপন করলো বাংলাদেশ।“স্তা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *