Uncategorized

গণতান্ত্রিক দেশে তৃতীয় পক্ষের কূটনৈতিক বৈঠক কাম্য নয়: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে এমন কোনো বৈঠক, যেখানে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচিত হতে পারে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যদি এটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়ে থাকে, তাহলে সেটি ভিন্ন বিষয়।

শনিবার (১ আগস্ট) সিলেটে স্থানীয় দৈনিক জালালাবাদ-এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

গণতান্ত্রিক দেশে তৃতীয় পক্ষের কূটনৈতিক বৈঠক কাম্য নয়: জামায়াত আমির…………

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে যদি দুই দেশের কোনো কূটনৈতিক বা নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে, তবে তা বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে কিংবা প্রয়োজনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে হওয়া উচিত। কোনো নির্দিষ্ট দেশের কূটনীতিকের সঙ্গে এমন আলোচনা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য প্রত্যাশিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিষয়বস্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যবেক্ষণের পর বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতেও যদি একই ধরনের পরিস্থিতি বা কৌশল অব্যাহত থাকে, তাহলে নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে জনগণের মধ্যে আরও প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হতে পারে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং দলীয় অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আরও কঠোর ও দৃশ্যমান অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গণভোট ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা

গণভোট প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দলটি পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তাঁর দাবি, আগে গণভোটের পক্ষে মত দিলেও পরে কেন সেই অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিএনপির জনগণের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *