প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কেউ বাদ পড়বেন না: শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না।
রোববার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি জানান, বর্তমানে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ একটি মামলার কারণে আটকে আছে। এই জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলেই পর্যায়ক্রমে বড় পরিসরে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে, আগের সরকারের সময় দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকেও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা হবে।
প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কেউ বাদ পড়বেন না: শিক্ষামন্ত্রী………..
মন্ত্রী আরও বলেন, এসব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আবারও ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য আরও ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষক সংকট দূর করতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে বিকল্প হিসেবে বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষক ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব নয়। আমাদের বাজেটে কোনো ঘাটতি নেই। এখন প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন।”
তিনি আরও যোগ করেন, দেশের শিক্ষা খাতে কাজ করার জন্য বর্তমানে প্রচুর সুযোগ রয়েছে এবং সরকার দ্রুত এসব সুযোগ কাজে লাগাতে চায়।
