একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন
সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন রয়েছে ১০ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৩২ হাজার ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার ২৯১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপার্সন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন…
সভা শেষে জানানো হয়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১৪টি নতুন প্রকল্প, ছয়টি সংশোধিত প্রকল্প এবং পাঁচটি মেয়াদ বৃদ্ধিকৃত প্রকল্প রয়েছে।
একনেক সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন, চট্টগ্রামে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে শক্তিবৃদ্ধিকরণ, পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবকাঠামো নির্মাণ, রেলপথ সম্প্রসারণ, যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, টেক্সটাইল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, প্রাথমিক শিক্ষাবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা, আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ, কৃষি প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন রোধ ও পানি ব্যবস্থাপনা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের সংশোধন।
এছাড়া সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টার অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ১০টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সরকারি কলেজ উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, ফায়ার সার্ভিস ও র্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সড়ক প্রশস্তকরণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত প্রকল্প।
একনেক সভায় জানানো হয়, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হবে।
সূত্র: বাসস
