ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও আশাব্যঞ্জক সূচনা করেছে সরকার: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হওয়ায় অর্থনীতি দুর্বল অবস্থায় পৌঁছেছিল। এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক বাস্তবতায় দায়িত্ব গ্রহণ করলেও সরকার শুরু থেকেই ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ মেরিটাইম একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও আশাব্যঞ্জক সূচনা করেছে সরকার: মির্জা ফখরুল…………..
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি অতীতেও নানা সংকট ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সেই সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে বারবার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতির (ব্লু ইকোনমি) বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে মেরিন পেশাজীবীদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। এ খাতের পাশাপাশি অন্যান্য পেশাজীবীরাও সম্মিলিতভাবে সহযোগিতা করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে একই দিন দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতির সেমিনার কেন্দ্রে আয়োজিত ‘লং লিভ বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে চীনের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন গতি পাবে এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও বহুমাত্রিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগামী দিনে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
