কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার ৩০ বাংলাদেশি ঢাকায় ফিরলেন
কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার পথে আটক হওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্ক্যাম সেন্টার কী
কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে ভালো বেতনের চাকরির কথা বলে মানুষকে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা এবং অনলাইনে প্রতারণার কাজে বাধ্য করার অভিযোগ আছে। আগের প্রতিবেদনগুলোতে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েকজনকে বৈধ কর্মভিসা ছাড়াই টাকার বিনিময়ে স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল।
ফেরার সংখ্যা বাড়ছে
বাংলাদেশ প্রতিদিনের জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু জুন মাসেই কম্বোডিয়া থেকে ৫৮৩ জন বাংলাদেশি ভুক্তভোগী দেশে ফিরেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কয়েকটি কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। আজকের ফিরে আসা ৩০ জনের কীভাবে কম্বোডিয়ায় যাওয়া হয়েছিল বা তাঁদের কী অবস্থায় রাখা হয়েছিল, তা প্রাথমিক প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়নি।
বিদেশে কাজের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকুন
বিদেশে চাকরির কথা বলে কেউ পর্যটক বা অন্য ভিসায় পাঠানোর প্রস্তাব দিলে সতর্ক হোন। নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সি ছাড়া কারও হাতে টাকা দেবেন না। কাজের চুক্তি, ভিসার ধরন ও কোম্পানির পরিচয় লিখিতভাবে যাচাই করে নিন। অস্বাভাবিক বেশি বেতনের প্রস্তাব প্রায়ই প্রতারণার সংকেত। সন্দেহ হলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
নতুন তথ্য পেলে এই খবর হালনাগাদ করা হবে।
আরও পড়ুন: লিবিয়া হয়ে ইউরোপ: মানব পাচারে ১১৯ জনকে চিহ্নিত করেছে সিআইডি
ছবি: CardMapr.nl, Unsplash (প্রতীকী ছবি)। তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি স্টার বাংলা।
