বন্ধ কলকারখানা চালুতে সরকারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানে জোর
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো ধাপে ধাপে পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোন কারখানাটি কত দ্রুত চালু করা সম্ভব, তা নির্ধারণ করে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথাও জানান তিনি।
শুক্রবার নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি স্বীকার করেন, শুধু বন্ধ কারখানা চালু করলেই দেশের সব বেকার শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
বন্ধ কলকারখানা চালুতে সরকারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানে জোর……..
তিনি আরও বলেন, “শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। কৃষকরা ভালো থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে। অর্থাৎ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ যখন স্বচ্ছল থাকবে, তখনই প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।”
হকারদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, রাজধানীর যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে অনেক হকারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের জীবিকার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। “হকারদের উচ্ছেদ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়—তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাও সরকারের দায়িত্ব,” যোগ করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি আশ্বাস দেন, নির্বাচিত সরকার সবসময় শ্রমজীবী মানুষের পাশে থাকবে এবং তাদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে।
