Tuesday, April 7, 2026
Latest:
Uncategorized

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’—মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে যুদ্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্যে ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের দাবি না মানে, তাহলে “একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”

তিনি লেখেন, “আজ রাতেই একটি সভ্যতার সমাপ্তি ঘটতে পারে। আমি তা চাই না, কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।” যদিও তিনি স্পষ্ট করে কিছু উল্লেখ করেননি, এর আগেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—যেমন সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র—ধ্বংস করে দেশটিকে কার্যত অচল করে দিতে পারে।

ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া

এদিকে Iran-এর বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সীমা অতিক্রম করে, তাহলে সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না—এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’—মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে যুদ্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা ইরানের…………

তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তারা দাবি করে, এতদিন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে কিছু সংযম দেখানো হলেও এখন সেই সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

ভয় ও অনিশ্চয়তায় সাধারণ মানুষ

এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ ইরানিরা। এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জানান, সম্প্রতি তার এক সহপাঠী হামলায় নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, “অনেকে এসব হুমকিকে হালকাভাবে নেয়, কিন্তু মৃত্যু কোনো রসিকতা নয়।”

বিস্ফোরণ ও হামলার খবর

মঙ্গলবার ভোর থেকে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আলবোর্জ প্রদেশে হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ রেল সেতু, মহাসড়ক এবং শিল্পাঞ্চলে হামলার খবরও পাওয়া গেছে। খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে কিছু আন্তর্জাতিক সূত্র দাবি করেছে, এসব হামলা মূলত সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হয়েছে।


উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে

পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। United States ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে, তাহলে তা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *