Uncategorized

শিশু রামিসা হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে এ নির্দেশ দেওয়া হয় বলে আইন মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, “এ ধরনের নৃশংস অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।”

এরই মধ্যে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

শিশু রামিসা হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর……….

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই বাসার বাথরুমে একটি বালতির ভেতর থেকে তার খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি সকালে বাসা থেকে বের হলে অভিযুক্তের স্ত্রী কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরো করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে খাটের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *