Uncategorized

১৮০ দিনের মধ্যে পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’

ঢাকা, ১০ জুন: আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনগণ প্রথম পর্যায়ে এ সেবার আওতায় আসবে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত পাঁচ জেলার বাসিন্দারা ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, ই-হেলথ কার্ডটি ইলেকট্রনিক রেফারেল সিস্টেম এবং ইলেকট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর ফলে রোগীর চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর হবে।

১৮০ দিনের মধ্যে পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’……………

প্রধানমন্ত্রী সংসদে তার সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন। তিনি জানান, নারী প্রধানকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কৃষক কার্ড কর্মসূচির প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে মোট ২০ হাজার ৭৪৮ জন কৃষককে কার্ড প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করেছে সরকার।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সহায়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের প্রথম ৩০ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ সময় তিনি তারকা চিহ্নিত তিনটি প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নেরও জবাব দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *