বিপিএল না হলে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি হবে, স্বীকার তামিমের
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সাম্প্রতিক আয়োজন নিয়ে একের পর এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার সেই ধারাবাহিকতা থেকে বেরিয়ে এসে আরও গোছানো ও টেকসই একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ওপর জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রয়োজন হলে সময় নিয়েও মানসম্মত বিপিএল আয়োজন করা হবে, নইলে এবারের আসর আয়োজন না করার কথাও জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
বিপিএল না হলে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি হবে, স্বীকার তামিমের…
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, বিপিএল আয়োজনের জন্য ১২ কিংবা ১৪ মাস সময় লাগলেও তিনি একটি ভালো ও সুশৃঙ্খল টুর্নামেন্ট করতে চান। তা সম্ভব না হলে এবারের বিপিএল আয়োজন না করার ইঙ্গিতও দেন তিনি।
তামিম বলেন, “১২ মাস কিংবা ১৪ মাস লাগুক, আমি ভালোভাবে বিপিএল করব। নাহলে করব না। আর আমার মনে হয় না, এবার বিপিএল আয়োজন করা হবে।”
বিপিএল না হলে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি হবে, স্বীকার তামিমের….
তবে বিপিএল না হলে খেলোয়াড়দের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেননি। বরং নিজে খেলোয়াড় থাকলে এমন পরিস্থিতিতে হতাশ হতেন বলেও জানান বিসিবি সভাপতি।
তিনি বলেন, “আমি খেলোয়াড় থাকলে নিজেও হতাশ হতাম। তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে, এটা আমি অস্বীকার করি না। কিন্তু তারাও বোঝে যে এই টুর্নামেন্ট এমন হওয়া উচিত, যা নিয়ে বিসিবি গর্ব করতে পারে।”
বিপিএল না হলে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি হবে, স্বীকার তামিমের…
বিপিএলের সাম্প্রতিক আয়োজন নিয়ে বিসিবিও সন্তুষ্ট নয় বলে জানান তামিম। গত কয়েক বছরের আয়োজনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “গত কয়েক বছরে যা হয়েছে, তা নিয়ে কি আমরা গর্বিত? হয়তো না।”
বিসিবির আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিও সামনে এনেছেন তিনি। তামিমের দাবি, বিপিএলের সর্বশেষ দুই আসরে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। তাই বড় অঙ্কের লোকসান হয় এমনভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনকে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দিতে চান না তারা।
তামিম বলেন, “বিপিএলের শেষ দুই আসরে ৪০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বিসিবির। তাই যে টুর্নামেন্টে আমার ২০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে, সেই টুর্নামেন্ট আমার প্রায়োরিটি লিস্টে নেই এই মুহূর্তে।”
বিসিবি সভাপতির বক্তব্যে স্পষ্ট, খেলোয়াড়দের আর্থিক স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ হলেও দীর্ঘমেয়াদে বিপিএলকে একটি টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বোর্ড।
