পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক—এমন মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
সোমবার দেওয়া ওই বার্তায় তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পহেলা বৈশাখ আমাদের জীবনে নতুন আশার বার্তা নিয়ে ফিরে আসে। নতুন বছরের সূচনা আমাদেরকে অতীতের জীর্ণতা ও গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও গ্রামীণ অর্থনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং সমাজে ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
নববর্ষের এই শুভক্ষণে সবাইকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির প্রি-পাইলট উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল এই উদ্যোগ। টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে পৌঁছাবেন এবং মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরে পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন শেষে দুপুরের পর তিনি ঢাকায় ফিরবেন।
