Uncategorized

হাদি হত্যা মামলা: পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়ে, নতুন তারিখ ১৫ জুলাই

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়েছে। আদালত আগামী ১৫ জুলাই অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

হাদি হত্যা মামলা: পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়ে, নতুন তারিখ ১৫ জুলাই…………..

আদালত সূত্র জানায়, এদিন মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত তারিখ ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।

যেভাবে হামলার শিকার হন হাদি

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ আদায় ও নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশে রওনা দেন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর প্রায় ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ১৫ ডিসেম্বর তাকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

হত্যা মামলায় রূপ নেয়

ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার এবং সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

অভিযোগপত্রে ১৭ জন অভিযুক্ত

গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও আসামিদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বিশ্লেষণে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদির নির্বাচনী প্রচারণায় অনুপ্রবেশ করে হামলা চালানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *