Thursday, April 30, 2026
Latest:
Uncategorized

দেশজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী আরও কয়েকদিন—সম্ভবত ৪ মে পর্যন্ত—দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এরই মধ্যে কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় কিছু জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং আরও কয়েকটি জেলা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর প্রভাবে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যেই বন্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলাও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

সংস্থাটির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া জানান, চলমান ভারী বৃষ্টিপাতই এ পরিস্থিতির মূল কারণ। তিনি বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে আগামী কয়েকদিন এই অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।

দেশজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী আরও কয়েকদিন—সম্ভবত ৪ মে পর্যন্ত—দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এরই মধ্যে কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় কিছু জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং আরও কয়েকটি জেলা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।…………

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে—১৬১ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার এবং ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, বৃষ্টি একটানা না হয়ে বিরতি দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কয়েকদিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ভুগাই কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে মনু নদী ছাড়া বাকি নদীগুলো নেত্রকোনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। পাশাপাশি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ি ও ছোট নদীগুলোতে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে খুব দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। তবে বৃষ্টিপাত কমে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *